"লা আদরী" বলতে পারা ইলমের অর্ধেক

মোবারক হুসাইন বৃহঃ, 02 ডিসে., 2021
46

ঘটনা-১
ছোটভাই মেরিন একাডেমি থেকে গ্র্যাজুয়েশান কমপ্লিট করে তাবলীগে গিয়ে নতুন নতুন ইসলাম প্র্যাকটিস করা শুরু করেছে।মাঝে মাঝে আমাকে এটা সেটা জিজ্ঞেস করে।ক্যাডেট হিসেবে প্রথমবারের মতো জাহাজে উঠার পর সেদিন নেটওয়ার্ক খারাপ থাকায় এসএমএস করে জানতে চাইলো সেখানে কসর করবে নাকি পুরো চার রাকাতই পড়তে হবে?

উত্তর নিয়ে কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দে পড়ে গেলাম।একবার মনে হচ্ছে,কসর করতে হবে;আরেকবার মনে হচ্ছে,জাহাজের মাসআলা কিছুটা ভিন্নও তো হতে পারে।
জীবনে প্রথমবার নেটওয়ার্ক খারাপ থাকার কারণে মনে খুশি অনুভব করলাম।যাক ছোটভাইয়ের সামনে "জানিনা" বলতে হয়নি।

ঘটনা-২
কয়েকমাস আগে নাহবেমীর জামাতের দুজন ছাত্র এলো পড়া বুঝে নিতে।নাহবেমীরের শেষে যুক্তকরা "জুমাল" নামক ছোট রিসালাটি নিয়ে।দুজনই ভালো ছাত্র। মেধার সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহ তায়ালা পরিশ্রম করার মানসিকতাও দিয়েছেন।তবে ইতিপূর্বে তাদের মেধা ও শ্রমের পুরোটা ব্যয়িত হতো শুধু মূখস্ত করার পেছনে।কিন্তু মূখস্ত করার পাশাপাশি বোঝটাও যে সমান গুরুত্ব রাখে বরং ক্ষেত্রবিশেষে এটা আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে,এটা আমিই তাদেরকে বুঝিয়ে ছিলাম।ফলে তারাও কোথাও কিছু না বোঝলেই নির্দ্বিধায় আমার কাছে চলে আসত।তো এবার পুরোটা বুঝিয়ে দিয়ে শেষে একজায়গায় গিয়ে আটকে গেলাম।"জুমলায়ে মাকত্বুয়া" এর সংজ্ঞাটি কিছুতেই বুঝতে পারছিলামনা। বেশ কিছুক্ষণ চিন্তা করে শেষে "বুঝতে পারছিনা" বলেছিলাম। কিন্তু এটা বলতে ভেতরে অল্পকিছু দ্বিধাও কাজ করেছিলো।(পরিমানে খুব কম হলেও)কেমন যেন লজ্জা লজ্জা লেগেছিলো। যা মন থেকে ঝেড়ে ফেলতে কিছুক্ষণ সময় লেগেছিলো।

প্রশ্ন হচ্ছে,এমনটা কেনো হবে?
কেনো আমি যা জানিনা,তা বলতে লজ্জা পাবো?
"জানিনা" বলতে হয়নি বলে নেটওয়ার্ক খারাপ থাকায় মনে মনে খুশি হবো?
নিজেকে সবজান্তা হিসেবে দেখাতে কেনো পছন্দ করবো?
খোদ আল্লাহর রাসূল (সাঃ) থেকে শুরু করে সাহাবী,তাবেয়ী,তাবে' তাবেয়ীরা যদি প্রশ্নের উত্তর জানা না থাকলে জানিনা বলতে পারেন,তবে আমি কোথাকার কোন মহাজ্ঞানী হয়ে গেলাম যে, "জানিনা" বলতে ইগোতে লাগে ?

# আব্দুর রহমান ইবনে মাহদী রহঃ (মৃঃ১৯৮ হিঃ) বলেন,
আমরা ইমাম মালেক রহঃ এর মজলিসে বসা ছিলাম। একলোক এসে বললো—
হে আবু আব্দুর রহমান! (ইমাম মালেকের উপনাম)
আমি দীর্ঘ ছয়মাসের দূরত্ব থেকে সফর করে এসেছি। আমার শহরের লোকেরা কয়েকটি বিষয় জানতে আপনার কাছে পাঠিয়েছে। 
ইমাম মালেক বললেন,ঠিকাছে তুমি প্রশ্ন কর।
সে একটি মাসআলা জানতে চাইলে ইমাম মালেক নির্দ্বিধায় বললেন—"لا أحسنها" আমি এর উত্তর ভালোভাবে জানিনা।
বর্ণনাকারী বলেন,এটা শুনে লোকটি হতভম্ব হয়ে গেলো। যেনো সে এমন একজনকে প্রশ্ন করে ছিলো যে সব কিছু জানে!
সম্বিৎ ফিরে পেয়ে সে বললো,এখন আমি আমার শহরের লোকদের কি উত্তর দিবো?
ইমাম মালেক বললেন, তুমি গিয়ে তাদের বলবে—
قال مالك: لا أحسن
 মালেক বলেছেন, "আমি এর উত্তর ভালোভাবে জানিনা।"

## ইমাম মালেক রহঃএর প্রসিদ্ধ ছাত্র ইবনে ওয়াহাব রহঃ বলেন,আমি ইমাম মালেককে এতো বেশি "লা আদরী" বলতে শুনেছি যে,এগুলো জমা করলে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা ভরে যেতো!

এগুলো তারা কোত্থেকে শিখলেন?
আসলে তাদের বড়রাও এমনই ছিলেন।
# ইবনে ওয়াহাব রহঃ বলেন,আমি ইমাম মালেককে বলতে শুনেছি,একবার আব্দুল্লাহ ইবনে নাফে আইয়ুব আসসাখতিয়ানী রহঃ কে কোন বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি উত্তর না দিয়ে চুপ থাকেন।
—আপনি হয়তো আমার প্রশ্নটি বুঝতে পারেননি। 
—কেনো বুঝবোনা অবশ্যই বুঝেছি।
—তাহলে উত্তর দেননি কেনো?
—আমি এর উত্তর জানিনা।

## ইমাম মালেক রহঃ আরো বলেন, আমি মুহাম্মাদ ইবনে আজলান রহঃ কে বলতে শুনেছি—
কোন আলেম যখন "লা আদরী" বলা ভুলে যায়,তার কথাবার্তায় ভুল ত্রুটি হতে শুরু করে।
ইবনে আব্বাস রাঃ থেকেও এমন বর্ণনা পাওয়া যায়।

ইমাম মালেক রহঃ আরো বলেন,
যে ব্যাক্তি কোন মাসআলার উত্তর দিতে চায়,তার উচিত উত্তর দেয়ার আগে নিজেকে জান্নাত এবং জাহান্নামের সামনে কল্পনা করা,আখেরাতে কিভাবে সে মুক্তি পাবে তা আগেই চিন্তা নেয়া।

একবার তাঁকে একটি মাসআলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, "লা আদরী"।তখন তাঁকে বলা হলো,এটাতো খুবই হালকা ও সহজ একটি মাসআলা।
কথাটি শুনে তিনি খুবই রেগে উঠলেন।সেইসাথে বললেন,
" ইলমের কোন জিনিসই হালকা নয়।তুমি কি এই আয়াত  শুনোনি? إِنَّا سَنُلْقِي عَلَيْكَ قَوْلا ثَقِيلا
শীঘ্রই আমি তোমার উপর অত্যন্ত ভারী বাণী নাযিল করবো।

# তাইতো ইবনে উমার রাঃ বলেন, ইলম হচ্ছে তিনটি জিনিস—কুরআন,সুন্নাহ ও "লা আদরী"।

## ইমাম আবু দাউদ রহঃ বলেন,
قول الرجل فيما لا يعلم: لا أعلم، نصف العلم
নিজের নাজানা বিষয়ে "লা আদরী" বলা ইলমের অর্ধেক।

### ইমাম ইবনে আব্দুল বার রহঃ(৪৬৩ হিঃ) রচিত "জামিউ বায়ানিল ইলম"এ তিনি এক আলেমের কথা নকল করেন—
ليس معي من العلم إلا أني أعلم أني لست أعلم
আমার কাছে কোনও ইলম নেই।তবে এটুকু জানি যে,"আমি জানিনা"।

একবার সাঈদ ইবনে জুবাইর রহঃকে কোন বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি জানিনা।এরপর বললেন,ঐ ব্যাক্তি ধ্বংস হোক,যে না জেনেও বলে আমি জানি।

আবু বকর রাঃ এর পৌত্র কাসিম বিন মুহাম্মাদকে এক ব্যাক্তি প্রশ্ন করলে তিনি বলেন,আমি বিষয়টি ভালোভাবে জানিনা।লোকটি পূনরায় বললো,আমি আপনার কাছেই বিষয়টিকে সোপর্দ করে দিলাম।আমি আপনাকে ছাড়া আর কাউকে চিনিনা।
তিনি উত্তর দিলেন—
لا تنظر إلى طول لحيتي، وكثرة الناس حولي، والله لا أحسنه
আমার লম্বা দাড়ি আর চারপাশে এতো মানুষজন দেখে লাভ নেই।আল্লাহর কসম আমি জানিনা।
শেষে আরো বললেন—
والله لئن يقطع لساني أحب إليَّ من أن أتكلم بما لا أعلم
আল্লাহর কসম! আমার জিহ্বা কেটে দেয়া হবে,এটা আমার কাছে বেশী পছন্দনীয়;আমি যে বিষয়ে জানিনা সে বিষয়ে কথা বলার চাইতে।

একবার  ইবনে উমার রাঃ এর পৌত্র কাসিম বিন উবাইদুল্লাহ রহঃকে এমন একটি বিষয়ে প্রশ্ন করা হলো যা তাঁর জানা ছিলনা।তো উত্তর না দেয়ায় ইয়াহয়া ইবনে সায়ীদ তাকে বললেন—
এটাতো খুবই মন্দ ও মারাত্মক বিষয় যে, আপনাকে কোন বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে আর সে বিষয়ের ইলম আপনার কাছে থাকবেনা! অথচ আপনি উমার ও ইবনে উমারের মতো মহান ব্যাক্তিত্বদ্বয়ের পুত্র!!
তিনি উত্তর দিলেন—
কিন্তু আল্লাহর নিকট এবং তাঁর পক্ষ হতে দ্বীনের 'বুঝ'প্রাপ্ত লোকদের নিকটে এর চাইতেও মারাত্মক বিষয় হলো,আমি ইলম ছাড়া উত্তর দিবো কিংবা অবিশ্বস্ত ব্যাক্তি হতে বর্ণনা করবো।

আহা কি ছিলো তাদের অবস্থা?
আর এখন আমরা কোথায় এসে হাজির হয়েছি।?জানি বা নাজানি কেউ প্রশ্ন করলেই নিজের ইলম ঝাড়তে শুরু করি,এমনকি আমাকে প্রশ্ন না করা হলেও নিজ থেকে যেচে গিয়ে জ্ঞান দিয়ে আসি।
অথচ সাহাবায়ে কেরামগণের চেষ্টা ছিলো—
প্রসিদ্ধ তাবেয়ী আব্দুর রহমান ইবনে আবি লায়লা বলেন,আমি একশত বিশজন আনসারী সাহাবীকে পেয়েছি।যাদের একজনকে কোন মাসআলা জিজ্ঞেস করা হলে নিজে উত্তর না দিয়ে আরেকজনের কাছে পাঠিয়ে দিতেন।শেষে দেখা যেতো,প্রশ্নটি ঘুরে আবার প্রথমজনের কাছেই ফিরে এসেছে।তাঁরা প্রত্যেকেই চাইতেন তাঁর পরিবর্তে অপর মুসলিম ভাই এর উত্তর দিক।

হাসান আল আসাদী রহঃ বলেন, তোমরা এমন এমন মাসআলায়ও নিজে ফাতওয়া দিয়ে বসো,যেগুলির কোন একটা উমার রাঃ এর সামনে আসলে তা সমাধানের জন্যে তিনি সকল বদরী সাহাবীদেরকে একত্রিত করতেন!

উকবা ইবনে মুসলিম বলেন,
আমি ইবনে উমার রাঃ এর সংস্রবে ৩৪ মাস থেকেছি।অনেক সময়ই তাঁকে প্রশ্ন করা হলে বলতেন,"লা আদরী"।এরপর আমার দিকে ফিরে বলতেন,
تدري ما يريد هؤلاء؟ يريدون أن يجعلوا ظهورنا جسراً لهم إلى جهنم
"তুমি কি জান এসকল লোকেরা কি চায়? এরা চায়,আমাদের পিঠকে পুল বানিয়ে তারা জাহান্নামে যাবে!

আশআস রহঃ বলেন,
ইবনে সীরীন রহঃকে যখন ফিকহের কোন হালাল-হারামের বিষয়ে প্রশ্ন করা হত,তাঁর চেহারার রং পাল্টে যেত।তাঁর অবস্থা এমন হয়ে যেত যে,তাকে দেখলে মনেই হতনা,ইনি কিছুক্ষণ আগেও স্বাভাবিক ছিলেন।

ইবনে সারহ রহঃ(মৃঃ ২৫০হিঃ) খুবই সুন্দর বলেছেন—
قد صار "لا أدري" عند أهل زماننا هذا عيبا
আমাদের এই যুগে "লা আদরী" বলাটা দোষে পরিণত হয়েছে!
কথাটা তিনি বলেছিলেন দ্বিতীয় শতাব্দীতে।আর আমরা আছি পঞ্চদশ শতাব্দীতে। 
আসলে আমাদের এই যুগে প্রশ্নকারী ও উত্তরদাতা উভয়ের মাঝেই সমস্যা রয়েছে।
উত্তরদাতারা মনে করে,জানিনা বললেই আমার মান সম্মান শ্যাষ!প্রেস্টিজ পাংচার!
তাই কোন ভাবেই জানিনা বলা চলবেনা।প্রয়োজনে উল্টাপাল্টা বলে হলেও মান বাঁচাতে হবে।
অপরদিকে প্রশ্নকারীদের অবস্থা হলো, কেউ যদি একবার ভুলেও জানিনা বলে ফেলে তবেই সেরেছে।সারা এলাকা বলে বেড়াবে,অমুক হুজুরকে একটা প্রশ্ন করেছিলাম উত্তর দিতে পারেনি।এইলোক কিচ্ছু জানেনা।এতদিন তবে কি ঘোড়ার ঘাস কাটলো?
তবে অনেক সচেতন মানুষও রয়েছেন।যারা এই ধরনের বিষয়গুলোকে স্বাভাবিক ভাবেই গ্রহণ করেন।

কিন্তু এভাবে আর কতদিন?
এই বাজে পরিবেশটা আমাদের পাল্টানো দরকার।

ইবনে উমার রাঃ হতে বর্ণিত,একবার একলোক রাসুলুল্লাহ সাঃ এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করলো,ইয়া রাসুলাল্লাহ! দুনিয়াতে সর্বোত্তম স্থান কোনটি? 
তিনি বললেন,"লা আদরী"।লোকটি আবার জিজ্ঞেস করলো,ইয়া রাসুলাল্লাহ! দুনিয়াতে সবচেয়ে নিকৃষ্ট স্থান কোনটি? তিনি আবার বললেন, "লা আদরী"।
এরপর জিবরাঈল আঃ আসলেন। রাসূলুল্লাহ সাঃ তাঁকে এই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে তিনিও বলেন, "লা আদরী"।
পরিশেষে জিবরাঈল আঃ আল্লাহ তায়ালার কাছে জিজ্ঞেস করে জেনে আসেন যে,দুনিয়াতে সর্বোত্তম স্থান মাসজিদ,আর সবচে' নিকৃষ্ট স্থান বাজার।

আমাদের ভাবা উচিত,যেখানে "أوتيت علم الأولين و الآخرين" এর দাবী করা মহান মানুষটি পর্যন্ত "জানিনা" বলতে লজ্জাবোধ করেননি,সেখানে আমি কোন আল্লামা,ফাহহামা,শায়খুল ইসলাম হয়ে গেলাম যে,না-জানা বিষয়ে জানিনা বলতে লজ্জা পাই?

পরিশেষে আলী রাঃ এর একটা কথা দিয়ে শেষ করি।তিনি বলেন,
يا بردها على الكبد! أن تقول لما لا تعلم الله أعلم
এটা কতইনা অন্তর প্রশান্তকারী যে,তুমি যা জাননা তাতে বলবে,আল্লাহ ভালো জানেন।
হাদিসের কিতাবগুলোতে তাই অহরহ আমরা দেখতে পাই সাহাবায়ে কেরামগণ বলছেন—
الله و رسوله أعلم
আল্লাহ ও তাঁর রাসুলই ভালো জানেন।

(পুনশ্চঃ অনেক ঘাটাঘাটি করেও "জুমলায়ে মাকতুয়া"র সংজ্ঞাটি আমি এখনো বুঝতে পারিনি।এই নামে কোন জুমলার অস্তিত্বও এই জুমাল নামক রিসালা ছাড়া অন্য কোথাও পাইনি।কেউ সাহায্য করলে অধম তার দোয়ায় অবশ্যই তাঁকে স্মরণ রাখবে।)

তথ্যসূত্র

الكامل لابن عدي
جامع بيان العلم وفضله
عيون الأخبار
مقدمة صحيح مسلم
تاريخ دمشق
حلية الأولياء

------ ------

এই বিষয়ে আরও জানতে চান?

আমাদের ইফতা বিভাগে সরাসরি প্রশ্ন করুন। অভিজ্ঞ মুফতিগণ আপনার ব্যক্তিগত প্রশ্নের উত্তর দেবেন — সম্পূর্ণ গোপনীয়তা ও নির্ভুলতার সাথে।

নির্ভরযোগ্য গোপনীয় দ্রুত উত্তর

মন্তব্য 0

আপনার মন্তব্য জানান
এখনো কোনো মন্তব্য নেই
প্রথম মন্তব্যকারী হোন! আপনার মতামত আমাদের কাছে মূল্যবান।

লেখকের আরো ব্লগ

করোনা ভাইরাস, ছোঁয়াছে রোগ, তাওয়াক্কুল ও অন্যান্য

মোবারক হুসাইন · 02 ডিসে., 2021 · 14

ইখতিলাফ কি শুধু ফুকাহাদের মাঝেই ছিলো?

মোবারক হুসাইন · 02 ডিসে., 2021 · 21

হাদীস গ্রহণের ক্ষেত্রে ইমাম আবু হানীফা রহঃ-র মূলনীতি বোখারী-মুসলিমের চাইতেও শক্তিশা…

মোবারক হুসাইন · 02 ডিসে., 2021 · 19